শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈতিক স্খলনে কঠোর শাস্তির দাবি হেফাজতের
কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈতিক পদস্খলনের দায়ে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তাঁকে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত উভয় ধরনের শাস্তির মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটি স্পষ্ট জানিয়েছে যে এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শিথিলতা বা আপস করা চলবে না। সম্প্রতি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কিছু শিক্ষকের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগ ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে এই যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান।
বিবৃতিতে সব স্কুল ও মাদ্রাসাকে নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেকোনো অনৈতিক আচরণ বা শিশু নিপীড়ন যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়াও সমর্থনযোগ্য নয়। কওমি মাদ্রাসাসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধে গত ১৯ সেপ্টেম্বর নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সর্বোচ্চ শিক্ষা কর্তৃপক্ষ আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি গঠন বা পূর্বের কমিটি সচল রাখতে হবে এবং অনৈতিক আচরণের অভিযোগের তদন্ত করে সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
মাদ্রাসা বোর্ডগুলোকে শক্তিশালী মনিটরিং সেল গঠন এবং অভিযোগ জানানোর জন্য হটলাইন চালুর নির্দেশ দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে কোনো মাদ্রাসায় কমিটি না থাকলে বা ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে অধিভুক্তি স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে। হেফাজতের নেতারা বলেন যে শুধু কমিটি গঠন করলেই হবে না, বরং কমিটিকে কার্যকর রেখে অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তি সবসময় অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলে স্কুল ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে কঠোর নীতিমালা অনুসরণ এবং সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।














